গোল বোতল এর যুগ হয়ত এবার শেষ হবে । আমরা স্কুল ব্যাগ, কলেজ ব্যাগ এমনকি অফিস ব্যাগে এই গোল বোতল পরিবহনে কতই না বিড়ম্বনার সম্মুক্ষিন হই । এই বিড়ম্বনার হাত থেকে চির মুক্তি দিতে চলে এসেছে চ্যাপ্টা বোতল । যা যেকোনো ব্যাগের মধ্যে খুব সহজে বহন করা যাবে ।
এক কম্পানি এই নুতন অভিনভ বোতল ডিজাইন করেছে । যা যেকোনো অফিস ব্যাগে খুব সহজে বহন করা যাবে । এই বোতলের নাম মিমো বোতল (Memobottle) । এটি সম্পূর্ণ চ্যাপ্টা একটা বোতল । এই বোতলের সাইজ নির্ধারণ করা হয়েছে কাগজের আকারের মত । লেটার, A4 এবং A5 এই তিনটি সাইজে এটি বাজারে পাওয়া যাবে । সবচেয়ে ছোট টায় বহন করা যাবে ৭৫০ মি.লি. পানি এবং বাকি দুইটাতে ১.২৫ লিটার পানি ধরবে । আপনি অফিস ব্যাগে যেমন পেপার, বই, ল্যাপটপ বহন করেন তেমন করেই এই বোতল বহন করতে পারবেন ।
এই বোতল সম্পূর্ণ রুপে পুনরায় ব্যাবহার যোগ্য । খুব সহজে এই বোতল ডিশ ওয়াশার দিয়ে পরিষ্কার করা যাবে । এর ফলে আমরা সহজে এটি পুনরায় ব্যাবহার করতে পারব ।
আর পানি বহন করা যখন এতটা সহজ হয়ে যাচ্ছে তখন বাইরে থেকে পানি কিনে খাবার প্রবনতা কমে যাবে । এর ফলে আমাদের একটা বিশেষ খরচের পরিমান কমে যাবে । কেননা বোতল জাত পানির খরছ আমাদের বাসার পানির খরচের তুলনায় অনেক বেশি । অন্যদিকে বোতলের পানি শেষ করে আমরা পরিবেশে ছুরে ফেলব না, এর ফলে পরিবেশ আর প্লাস্টিক বোতলে নোংরা হবে না ।
এক সমিক্ষায় দেখা গেছে গত বছর ৬০০ বিলিয়ন পানির বোতল সমগ্র বিশ্বে বিক্রি হয়েছে । আমেরিকাতে প্রতি সেকেন্ডে ১৫০০টি পানির বোতল ব্যাবহার করা হচ্ছে যার মধ্যে কেবল মাত্র ২০% পুনরায় ব্যাবহার করা যায় ।
সুতরাং এই বোতল ব্যাবহার শুরু করলে পরিবেশ এর উপর প্লাস্টিক এর বোঝা কিছুটা হলেও কমে যাবে ।
এক কম্পানি এই নুতন অভিনভ বোতল ডিজাইন করেছে । যা যেকোনো অফিস ব্যাগে খুব সহজে বহন করা যাবে । এই বোতলের নাম মিমো বোতল (Memobottle) । এটি সম্পূর্ণ চ্যাপ্টা একটা বোতল । এই বোতলের সাইজ নির্ধারণ করা হয়েছে কাগজের আকারের মত । লেটার, A4 এবং A5 এই তিনটি সাইজে এটি বাজারে পাওয়া যাবে । সবচেয়ে ছোট টায় বহন করা যাবে ৭৫০ মি.লি. পানি এবং বাকি দুইটাতে ১.২৫ লিটার পানি ধরবে । আপনি অফিস ব্যাগে যেমন পেপার, বই, ল্যাপটপ বহন করেন তেমন করেই এই বোতল বহন করতে পারবেন ।
এই বোতল সম্পূর্ণ রুপে পুনরায় ব্যাবহার যোগ্য । খুব সহজে এই বোতল ডিশ ওয়াশার দিয়ে পরিষ্কার করা যাবে । এর ফলে আমরা সহজে এটি পুনরায় ব্যাবহার করতে পারব ।
আর পানি বহন করা যখন এতটা সহজ হয়ে যাচ্ছে তখন বাইরে থেকে পানি কিনে খাবার প্রবনতা কমে যাবে । এর ফলে আমাদের একটা বিশেষ খরচের পরিমান কমে যাবে । কেননা বোতল জাত পানির খরছ আমাদের বাসার পানির খরচের তুলনায় অনেক বেশি । অন্যদিকে বোতলের পানি শেষ করে আমরা পরিবেশে ছুরে ফেলব না, এর ফলে পরিবেশ আর প্লাস্টিক বোতলে নোংরা হবে না ।
এক সমিক্ষায় দেখা গেছে গত বছর ৬০০ বিলিয়ন পানির বোতল সমগ্র বিশ্বে বিক্রি হয়েছে । আমেরিকাতে প্রতি সেকেন্ডে ১৫০০টি পানির বোতল ব্যাবহার করা হচ্ছে যার মধ্যে কেবল মাত্র ২০% পুনরায় ব্যাবহার করা যায় ।
সুতরাং এই বোতল ব্যাবহার শুরু করলে পরিবেশ এর উপর প্লাস্টিক এর বোঝা কিছুটা হলেও কমে যাবে ।





0 মন্তব্যসমূহ
এই লিখা সম্পর্কে কোন মতমত থাকলে মন্তব্যে করে জানালে উপকৃত হব। ধন্যবাদ।
Emoji